সালজবুর্গকে উড়িয়ে দিলো বায়ার্ন, লেভানডফস্কির যত রেকর্ড

 



আলিয়াঞ্জ এরেনায় সালজবুর্গকে বিভীষিকাময় ৯০ মিনিট উপহার দিয়েছে বায়ার্ন মিউনিখ। অস্ট্রিয়ান ক্লাবটিকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে জুলিয়ান ন্যাগেলসম্যানের শিষ্যরা।এই জয়ে ৮-২ ব্যবধান নিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখলো বাভারিয়ানরা।


গোল করার পর উচ্ছ্বসিত বায়ার্ন দল। ছবিঃ টুইটার

রাউন্ড অফ সিক্সটিনের প্রথম লেগে ১-১ গোলে ড্রয়ের হতাশা নিয়ে ম্যাচ শুরু করা বায়ার্ন শুরুতেই এগিয়ে যেতে পারতো। লেভানডফস্কির শট রুখে দেন সালজবুর্গ গোলকিপার। ম্যাচের ১২ মিনিটে সফলভাবে গোল করে এগিয়ে দেন এই পোলিশ স্ট্রাইকার। ২১ মিনিট পুনরায় পেনাল্টি থেকে গোল করেন তিনি। ২৩ মিনিটে গোল করে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন তিনি। ম্যাচের ৩১ মিনিটে কিংসলে কোম্যানের অ্যাসিস্টে ব্যবধান বাড়ান সার্জ নাব্রি। বিরতির পর জোড়া গোল করেন থমাস মুলার। শেষ মুহুর্তে ৭ নম্বর গোলের দেখা পান জার্মান ফরোয়ার্ড লেরয় সানে।


ম্যাচসেরার পুরষ্কার হাতে লেভানডফস্কি।ছবিঃউয়েফা

দুদার্ন্ত পারফর্মেন্সের জন্য পেয়েছেন ম্যাচসেরার পুরষ্কার ও রেকর্ড বইয়ে করেছেন উলটপালট। আসুন একনজরে দেখে নেওয়া যাক সেসব রেকর্ডঃ

  • ম্যাচের ২৩ মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেছেন। ম্যাচ শুরু করে দ্রুততম সময়ে হ্যাটট্রিক করার রেকর্ড নিজের করে নিয়েছেন লেভানডফস্কি। যেটি আগে ছিলো মার্কো সিমনের। তিনি ১৯৯৬ সালে এসি মিলানের হয়ে ২৪ মিনিটে নওরেজিয়ান ক্লাব রসেনবর্গের সাথে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। প্রথম গোল থেকে লেভানডফস্কির হ্যাটট্রিক করতে সময় লেগেছে মাত্র ১১ মিনিট।
  • চ্যাম্পিয়নস লীগে এটি তার পঞ্চম হ্যাটট্রিক। তার থেকে বেশি আছে আর দুইজনের। মেসি ও রোনালদো উভয়ের ৮ বার।
  • চ্যাম্পিয়নস লীগে তার গোলসংখ্যা ৮৫, তার থেকে বেশি গোল আছে দুইজনের। মেসি (১২৫) ও রোনালদো (১৪০)। দ্রুত ৮৫ গোল করার রেকর্ড এখন লেভানডফস্কির নিজের। ১০৪ ম্যাচে এই কীর্তি গড়েছেন তিনি। মেসির ১০৭ ম্যাচ ও রোনালদোর লেগেছিলো ১২১ ম্যাচ।
  •  চ্যাম্পিয়নস লীগ নূন্যতম ১০ গোল করেছেন তিন মৌসুম। সবচেয়ে বেশি বার ১০ গোল করেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো (৭ বার) ও দ্বিতীয় সর্বোচ লিওনেল মেসি (৫ বার)।

  • এইসব রেকর্ডে তিনিই প্রথম বায়ার্ন মিউনিখ খেলোয়ার। যা আর নেই কোন বাভারিয়ান প্লেয়ারের।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ