দঃ আফ্রিকাকে গুঁড়িয়ে দিয়ে ইতিহাস গড়লো বাংলাদেশ

ট্রফি সেলিব্রেশনে মত্ত বাংলাদেশ দল। ছবিঃ টুইটার

সেঞ্চুরিয়নে সিরিজের ৩য় ও শেষ ওয়ানডেতে  দঃ আফ্রিকাকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবার দঃ আফ্রিকায় দ্বিপাক্ষিক সিরিজ জিতেছে টাইগাররা।

তাসকিন আহমেদের তোপে মাত্র ১৫৪ রানে অল-আউট হয় দঃ আফ্রিকা। ওয়ানডেতে সাউথ আফ্রিকার মাটিতে ৫ উইকেট নেওয়া একমাত্র বিদেশী বোলার তাসকিন আহমেদ। ব্যাট হাতে তামিম ইকবাল অপরাজিত থাকেন ৮৭ রানে, লিটন দাস করেন ৪৮ রান।

ম্যাচসেরা, সিরিজসেরা দুইটাই হয়েছেন তাসকিন আহমেদ। ছবিঃ সংগ্রহীত

টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুদার্ন্ত করে দুই প্রোটিয়া ব্যাটার জানেমান মালান ও কুইন্টন ডি কক। বোলারদের উপর চড়াও হন মালান। ৪৬ রানে কুইন্টন ডি কককে মাহমুদুল্লাহর ক্যাচ বানিয়ে ফেরান মিরাজ। ভেরেইনাকে নিয়ে পাওয়ার প্লে শেষ করেন মালান। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারে নি তাদের কেউ। তাসকিনের জোড়া আঘাতে ফিরে যান দুই ব্যাটারই। তাসকিনের বলে ইনসাইড এজ হয়ে বোল্ড হন ভেরেইনা। মুশফিকের ক্যাচে ফিরেন মালান। ২ রানের ব্যবধানে বাভুমাকে ফেরান সাকিব আল হাসান। ৭১ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে প্রোটিয়ারা।মিলারের সাথে জুটি বাঁধতে শুরু করা ডুসেনকে ফেরান শরিফুল ইসলাম। প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন প্রিটোরিয়াস-মিলার জুটি।তাদের ছোট্ট ২৪ রানের ছোট জুটিতে একশ পেরোয় দঃ আফ্রিকার রান। প্রিটোরিয়াসকে ২০ রানে ফেরান তাসকিন আহমেদ। ১৫ রানের মধ্যে মিলারকে আউট করে দঃ আফ্রিকার বড় রান করার মেরুদণ্ড ভেঙ্গে দিয়েছেন তাসকিন। ৪ রান পর রাবাদাকে আউট করে ৫ উইকেট তুলে নেন এই বাংলাদেশী পেসার। সাউথ আফ্রিকাকে ১৫০ পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব কেশব মহারাজের। ২৮ রান করে ১০ম ব্যাটসম্যান হিসেবে আউট হন তিনি। সাকিব আল হাসান নেন ২ উইকেট। 

জবাবে ব্যাট করতে নেমে আফ্রিকান বোলারদের কোন রকম পাত্তাই দেয় নি দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও লিটন কুমার দাস। ১২৭ রানের জুটি গড়েন এই দুই ব্যাটসম্যান। লিটন দাস আউট হয়ে গেলে সাকিবকে নিয়ে বাকি কাজ শেষ করতে কোন সমস্যাই হয় নি তামিম ইকবালের।



একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ